মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

সিটিজেন চার্টার

ক্রঃ নং

সেবার নাম

সেবা পদ্ধতি/ সেবা প্রদানের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

সেবা প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় খরচ

সেবা প্রদানের সময় সীমা

সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নাম/ সেবা প্রাপ্তির স্থান

সংগ্রহঃ ধান/গম

কৃষকগণ সরাসরি সংশ্লিষ্ট উপজেলার খাদ্য গুদামে নিজ খরচে নির্ধারিত বিনির্দেশ সম্মত ধান/গম সরবরাহ করবেন। নির্ধারিত ব্যাংকে কৃষকের ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে সরবরাহকৃত ধান/গমের মূল্য পরিশোধ করা হয়।

১। কৃষকের জাতীয় সনদপত্র

২। কৃষি উপকরণ সহায়তা কার্ড

৩। কৃষি বিভাগ হতে উৎপাদন সংক্রান্ত প্রত্যয়ণ পত্র

প্রযোজ্য নহে।

সরকার নির্ধারিত সময় সীমার মধ্যে অফিস চলাকালীন সময়।

সংশ্লিষ্ট উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এবং গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কার্যালয়। সেবা প্রাপ্তির স্থানঃ উপজেলাধীন স্থানীয় খাদ্য গুদাম

চাল

লাইসেন্স প্রাপ্ত মিল মালিকগণের আবেদন এবং চাল সরবরাহের জন্য সরকার নির্ধারিত সময়ে চুক্তিবদ্ধ হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট উপজেলায় নির্ধারিত ব্যাংকে তার ব্যাংক হিসেবের মাধ্যমে সরবরাহকৃত চালের মূল্য পরিশোধ করা হয়।

১। মিল মালিকের আবেদন।

২। পাসপোর্ট সাইজের ০২(দুই) কপি ছবি।

৩। মিল লাইসেন্স ও খাদ্যশস্য লাইসেন্স  এর ফটোকপি।

৪। হালনাগাদ বিদ্যুৎ বিলের ফটোকপি

১। ৩০০/- (তিনশত) টাকার ননজুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্পে চুক্তি সম্পাদন।

২। নীতিমালা মোতাবেক খালিবস্তা ও চালের জামানত।

সরকার নির্ধারিত সময় সীমার মধ্যে অফিস চলাকালিন সময়

চুক্তি সম্পাদনঃ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, গাজীপুর। চাল সরবরাহ ও মূল্য পরিশোধঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক এবং গুদামের  ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কার্যালয়

২।

মিল লাইসেন্স

ক। নতুন লাইসেন্স প্রদানঃ

মিল মালিকগণ সরকার কর্তৃক নির্ধারিত ফরমে আবেদন ও সংশ্লিষ্ট সকল কাগজ পত্র প্রদান স্বাপেক্ষে তদন্ত করণ, লাইসেন্স ফী ও ভ্যাট চালানের মাধ্যমে জমা দেয়ার পর লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

 

খ। লাইসেন্স নবায়নঃ

মিল মালিক লাইসেন্সের মূল কপিসহ লাইসেন্স নবায়ন ফী ও ভ্যাটের টাকা চালানের মাধ্যমে জমা দেয়ার পর লাইসেন্স নবায়ন করা হয়।

 

গ। ডুপ্লিকেট লাইসেন্স প্রদানঃ

মিল মালিক ডুপ্লিকেট লাইসেন্স প্রদানের স্বপক্ষে কারণ উল্লেখ পূর্বক আবেদন ও সংশ্লিষ্ট সকল কাজগজ পত্র প্রদান স্বাপেক্ষে তদন্ত পূর্বক ডু্প্লিকেট লাইসেন্স ফী ও ভ্যাটের টাকা চালানের মাধ্যমে জমা দেয়ার পর ডুপ্লিকেট লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

ক। নতুন লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রেঃ-

১। মিল মালিকের আবেদন।

২। মিলের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র।

৩।মিলের দলিল/মালিকানা স্বত্ব।

৪। পাসপোর্ট সাইজের ০২ (দুই) কপি ছবি।

৫। বিদ্যুৎ বিলের ফটোকপি।

৬। পরিবেশগত সনদ।

৭। ব্যাংক স্বচ্ছলতার সনদ।

৮। ট্রেড লাইসেন্স।

৯। জাতীয় পরিচয়পত্র।

 

খ। লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেঃ

লাইসেন্সের মূল কপি

 

গ। ডুপ্লিকেট লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রেঃ

১। লাইসেন্স হারিয়ে গেলে থানার জিডি কপি

২। নষ্ট ছেঁড়া, আংশিক আগুনে পুড়ে যাওয়া পানিতে নষ্ট হয়ে যাওয়া সহ অন্যান্য কোন কারণে লাইসেন্স নষ্ট হলে ঐ অবস্থায় লাইসেন্সের মূল কপি জমা করণ।

নির্ধারিত কোডে লাইসেন্স ফি/নবায়ন/ ডুপ্লিকেট ফি ও ভ্যাট জমাকরণ।

মিলের ধরণ

লাইসেন্স ফি

নতুন

নবায়ন

ডুপ্লিকেট

অটোমেটিক

২০০০/-

১০০০/-

৪০০/-

মেজর

২০০০/-

১০০০/-

৪০০/-

হাস্কিং

১০০০/-

৫০০/-

২০০/-

ময়দামিল তালিকাভূক্তি ফি

৫০০০/-

২০০০/-

-

সকল ক্ষেত্রে ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য

 

ক। নতুন লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রেঃ-

অফিস চলাকালিন সময় ০৩ থেকে ০৭ কর্ম দিবস।

খ। লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেঃ

সরকার নির্ধারিত সময়সীমা অর্থাৎ ৩০শে জুনের মধ্যে অফিস চলাকালীন সময়ে।

গ। ডুপ্লিকেট লাইসেন্স প্রদানঃ অফিস চলাকালিন সময় ০৩ থেকে ০৭ কর্ম দিবস

প্রাথমিক আবেদন ও তদন্ত কার্যক্রমঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তর

 

নতুন/ডুপ্লিকেট লাইসেন্স ইস্যু এবং নবায়নঃ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, গাজীপুর।

 

 

ক্রঃ নং

সেবার নাম

সেবা পদ্ধতি/ সেবা প্রদানের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

সেবা প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় খরচ

সেবা প্রদানের সময় সীমা

সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নাম/ সেবা প্রাপ্তির স্থান

খাদ্যশস্য ও খাদ্য সামগ্রী ব্যবসার লাইসেন্স

ক। নতুন লাইসেন্স প্রদানঃ

ব্যবসায়ীগণের নিকট হতে আবেদন পত্র পাওয়ার পর খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তা/ খাদ্য পরিদর্শক ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন/ যাচাই করে সঠিক তথ্য পাওয়া স্বাপেক্ষে এবং চালানের মাধ্যমে লাইসেন্স ফি ও ভ্যাট জমা দেয়ার পর লাইসেন্স প্রদান করা হয়।

ক। নতুন লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রেঃ

১। আবেদন।

২। দোকানের /ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকানা স্বত্ব।

৩। পাসপোর্ট সাইজের ০২ (দুই) কপি ছবি।

৪। ব্যাংক স্বচ্ছলতার সনদ।

৫। ট্রেড লাইসেন্স।

৬। জাতীয় পরিচয়পত্র।

৭।আয়কর প্রত্যয়ণ পত্র।

 

খ। লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেঃ

লাইসেন্সের মূল কপি

 

গ। ডুপ্লিকেট লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রেঃ

১। লাইসেন্স হারিয়ে গেলে থানার জিডি কপি

২। নষ্ট/ছেঁড়া/আংশিক আগুনে পুড়ে যাওয়া/ পানিতে নষ্ট হয়ে যাওয়াসহ অন্যান্য কোন কারণে লাইসেন্স নষ্ট হলে ঐ অবস্থায় লাইসেন্সের মূল কপি জমাকরণ।

 

 

 

 

 

নির্ধারিত কোডে খাদ্যশস্য ও খাদ্য সামগ্রী ব্যবসার লাইসেন্স

ব্যবসার ধরণ

লাইসেন্স ফি

নতুন

নবায়ন

ডুপ্লিকেট

আমদানীকারক

১০০০০/-

৫০০০/-

২০০০/-

পাইকারী ব্যবসায়ী ও আড়তদার

৫০০০/-

২৫০০/-

১০০০/-

খুচরা ব্যবসায়ী

১০০০/-

৫০০/-

২০০/-

মেজর ও কম্প্যাক্ট ময়দাকল

৩০০০/-

১৫০০/-

৬০০/-

রোলার ময়দাকল

১০০০/-

৫০০/-

২০০/-

আটাচাক্কি

৬০০/-

৩০০/-

১২০/-

অটোমেটিক রাইস মিল‌

৫০০০/-

২৫০০/-

৮০০/-

হাস্কিং রাইস মিল

১০০০/-

৫০০/-

২০০/-

ওএমএস ডিলার

১০০০/-

৫০০/-

২০০/-

সকল ক্ষেত্রে ১৫% ভ্যাট প্রযোজ্য।

 

ক। নতুন লাইসেন্স প্রদানের ক্ষেত্রেঃ

অফিস চলাকালিন সময়। ০৩ থেকে ০৭ কর্ম দিবস।

 

খ। লাইসেন্স নবায়নের ক্ষেত্রেঃ

সরকার নির্ধারিত সময়সীমা অর্থাৎ ৩০ শে জুনের মধ্যে অফিস চলাকালিন সময়।

 

গ। ডুপ্লিকেট লাইসেন্স প্রদানঃ

অফিস চলাকালিন সময় ০৩ থেকে ০৭ কর্ম দিবস।

প্রাথমিক আবেদন ও তদন্ত কার্যক্রমঃ সংশ্লিষ্ট উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের দপ্তর

 

নতুন/ডুপ্লিকেট লাইসেন্স ইস্যু এবং নবায়নঃ জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, গাজীপুর।

 

আমাদানীকারক, পাইকারী ব্যবসায়ী ও আড়তদার, মেজর কম্প্যাক্ট ময়দাকল, রোলার ময়দাকল, অটোমেটিক রাইস মিল, মেজর রাইস মিল, হাস্কিং রাইস মিল এবং ওএমএস।

 

সংশ্লিষ্ট উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক। খুচরা ব্যবসায়ী ও আটাচাক্কি।

 

 

ক্রঃ নং

সেবার নাম

সেবা পদ্ধতি/ সেবা প্রদানের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

              প্রয়োজনীয় কাগজপত্র           

 

সেবা প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় খরচ

সেবা প্রদানের সময় সীমা

সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নাম/ সেবা প্রাপ্তির স্থান

ওএমএস

বাজারে খাদ্যশস্যের দাম বৃদ্ধির প্রবণতা লক্ষ্য করা গেলে বাজারদর স্থিতিশীল রাখার জন্য সরকার ওএমএস কার্যক্রম পরিচালনা করে থাকে। এ কার্যক্রমের আওতায় নিম্নআয়ের মানুষ কম মূল্যে খাদ্যশস্য ক্রয় করতে পারে। নিয়োগকৃত ডিলারের মাধ্যমে ওএমএস কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়ে থাকে।

১। ডিলারের খাদ্যশস্য ব্যবসায়ী (ফুডগ্রেইন)   

    লাইসেন্স

২। ছবি যুক্ত আবেদন (ছবি ৩ টি)

৩। ট্রেড লাইসেন্স

৪। জাতীয় পরিচয়ঢ পত্র

৫।পাকা আধা পাকা দোকান (মালিকানার

   প্রমানক সহ)

৬।ব্যাংক সলভেন্সী

৭। নাগরিকত্ব সনদ

‌১। ডিলারের ক্ষেত্রে ৩০০/- (তিনশত টাকার) নন

    জুডিশিয়াল ষ্ট্যাম্প।

২। ২৫,০০০/- টাকার ব্যাংকড্রাফট/ পে- অর্ডার

    (ফেরৎযোগ্য)।

৩। উপকারভোগীদের ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক

    সময়ে সময়ে নির্ধারিত খাদ্য শস্য মূল্য।

 

সরকার ঘোষিত সময়ে এবং সংশ্লিষ্ট কমিটির সিদ্ধান্ত।

জেলা খাদ্য নিয়ন্তক, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, গুদাম কর্মকর্তা

 

সেবা প্রাপ্তির স্থানঃ খাদ্য গুদাম ও ডিলারের দোকান

ফেয়ার প্রাইস

একটি উপজেলা/থানার সকল ইউনিয়নের তালিকাভুক্ত অতিদরিদ্র জনগণ এ সেবা পেয়ে থাকে। প্রথমে ইউনিয়ন কমিটির মাধ্যমে উপকারভোগীর তালিকা তৈরী করে উপজেলা কমিটিতে অনুমোদন করাতে হয়। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস অনুমোদিত তালিকানুযায়ী উপকারভোগী/সুবিধাভোগীর নামে ফেয়ারপ্রাইস কার্ড তৈরী করে সরবরাহ করে। অতঃপর নিয়োগকৃত ডিলারকে ডিও ইস্যুর মাধ্যমে চালানের জমাকৃত টাকার বিপরীতে খাদ্যশস্য প্রদান করা হয়। ডিলার নির্দিষ্ট স্থানে ও দরে উপজেলা কমিটির অনুমোদিত তালিকানুযায়ী ও ফেয়ারপ্রাইস কার্ডের বিপরীতে খাদ্যশস্য বিতরণ করবেন।

 

 

 

                    

-ঐ-

১। ডিলারের ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত জামানত।

২। উপকারভোগীর ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে নির্ধারিত খাদ্যশস্য মূল্য।

কার্যক্রম সম্পাদনের মোট সময়ঃ ১৫-১৭ দিন।

 

খাদ্য শস্য বিতরণের সময়ঃ ১-২ ঘন্টা

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, গুদাম কর্মকর্তা সেবা প্রাপ্তির স্থানঃ খাদ্য গুদাম ও ডিলারের দোকান।

৪র্থ শ্রেণী ফেয়ার প্রাইস

সরকার নিম্ন বেতনভোগী কর্মচারীদের স্বল্প মূল্যে খাদ্য শস্য প্রদানের লক্ষ্যে প্রত্যেক বিভাগ হতে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী উপকারভোগী/সুবিধাভোগীর নামে ফেয়ার প্রাইস কার্ড তৈরী করে সরবরাহ করে। অতঃপর নিয়োগকৃত ডিলারকে ডি.ও ইস্যুর মাধ্যমে চালানের জমাকৃত টাকার বিপরীতে খাদ্যশস্য প্রদান করা হয়। ডিলার নির্দিষ্ট স্থানে ও দরে তালিকানুযায়ী ও ফেয়ারপ্রাইস কার্ডের বিপরীতে খাদ্যশস্য বিতরণ করবেন।

 

 

 

-ঐ-

১। ডিলারের ক্ষেত্রে সরকার নির্ধারিত জামানত।

২। উপকারভোগীর ক্ষেত্রে সরকার কর্তৃক সময়ে সময়ে নির্ধারিত খাদ্যশস্য মূল্য।

                                      

সরকার ঘোষিত সময়ে  এবং সংশ্লিষ্ট কমিটির সিদ্ধান্ত

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক, গুদাম কর্মকর্তা সেবা প্রাপ্তির স্থানঃ খাদ্য গুদাম ও ডিলারের দোকান।

 

 

ক্রঃ নং

সেবার নাম

সেবা পদ্ধতি/ সেবা প্রদানের সংক্ষিপ্ত বিবরণ

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

সেবা প্রাপ্তির প্রয়োজনীয় খরচ

সেবা প্রদানের সময় সীমা

সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের নাম/ সেবা প্রাপ্তির স্থান

ইউনিয়ন পর্যায়ে হতদরিদ্র কার্যক্রম

শেখ হাসিনার বাংলাদেশ ক্ষুধা হবে নিরুদ্দেশ সকল ইউনিয়নের তালিকাভূক্ত অতিদরিদ্র জনগণ এ সেবা পেয়ে থাকে। প্রথম ইউনিয়ন কমিটির মাধ্যমে উপকারভোগীর তালিকা তৈরী করে উপজেলা কমিটিতে অনুমোদন করাতে হয়। উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক অফিস অনুমোদিত তালিকানুযায়ী উপকারভোগী/সুবিধাভোগীর নামে হত দরিদ্রের জন্য কার্ড তৈরী করে সরবরাহ করে। অতঃপর নিয়োগকৃত ডিলারকে ডি.ও ইস্যুর মাধ্যমে চালানের জমাকৃত টাকার বিপরীতে খাদ্যশস্য প্রদান করা হয়। ডিলার নির্দিষ্ট স্থানে ও দরে উপজেলা কমিটির অনুমোদিত তালিকানুযায়ী ও কার্ডের বিপরীতে খাদ্যশস্য বিতরণ করবেন। এ জেলায় ইউনিয়ন পর্যায়ে হতদরিদ্রের কার্যক্রমের উপকার ভোগীর সংখ্যা ১৪৬৩৮৯জন

১। আবেদন পত্র

২। ছবি ২ কপি

৩। ন্যাশনাল আইডি কার্ডের ফটোকপি

৪। ট্রেড লাইসেন্স

৫। দোকানের মালিকানা প্রামানিক কাগজপত্র

৬। ব্যাংক সলভেন্সী

প্রতি ডিলারকে জামানত বাবদ ২০,০০০/- (বিশ হাজার) টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিতে হবে।

গুদাম হতে প্রতি কেজি চালের মূল্য ৮.৫০ টাকায় ক্রয় করে ১০/- টাকায় গরীব জনসাধারণের নিকট বিক্রি করতে হবে।

সপ্তাহে ০৩ দিন রবি থেকে বৃহস্পতি বার এ কর্যক্রম চালু আছে।

প্রতি কার্ডে ৩০ কেজি চাল ক্রয় করতে পারবেন।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সমূহ (গাজীপুর সদর/কালিয়াকৈর/শ্রীপুর/ কাপাসিয়া/ কালিগঞ্জ)

 

 

 

ছবি


সংযুক্তি



Share with :

Facebook Twitter